রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ :
• গণভোটের ভিত্তিতেই সংবিধান সংস্কার করতে হবে : গোলাম পরওয়ার • জিবুতির উপকূলে নৌকাডুবি : ১০৯ অভিবাসীর মৃত্যু, নিখোঁজ ১১৬ • ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার • রূপপুরে প্রথমবারের মতো সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া • সেবার মান আরও বাড়ানো গেলে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমবে : রাষ্ট্রপতি • সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় আরও ৪ বাংলাদেশি আইসিইউতে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী • দেশে হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু • ঢাকা–রিয়াদ রুটে ৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে আড়াই হাজার যাত্রী • ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে কোন খাবারে সতর্ক থাকবেন • দারুণ ব্যাটিংয়ে সোবহানার রেকর্ড সেঞ্চুরি

রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বিজ্ঞাপন

চিন্তার মধ্যে যেন অসুর না থাকে: ভারতীয় হাইকমিশনার

চিন্তার মধ্যে যেন অসুর না থাকে: ভারতীয় হাইকমিশনার

ছবি : সংগৃহীত

বিজ্ঞাপন
শুভ মহালয়া ও দেবীপক্ষের পুণ্যলগ্নে মানুষের চিন্তা-ভাবনা থেকে যাবতীয় অশুভ ও আসুরিক ভাব দূর করে হৃদয়ে শুভবোধ জাগ্রত করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ১০ অক্টোবর (শনিবার) সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহালয়া উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ বার্তা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, আজকের এই শুভ দিনটি কেবল দেবীপক্ষ ও মর্ত্যলোকে মা দুর্গার আগমনবার্তার সূচনা নয়, বরং এটি আত্মশুদ্ধি ও অন্তরের কলুষতা দূর করার এক বিশেষ মাহেন্দ্রক্ষণ। 

মানুষের মন ও চিন্তা-ভাবনার মধ্যেও যেন কোনো নেতিবাচকতা, বিদ্বেষ, বিভেদ বা ‘অসুর ভাব’ স্থান না পায়—সেটিই মহালয়ার অন্তর্নিহিত শিক্ষা। একই সাথে শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের গভীর তাৎপর্য তুলে ধরেন তিনি।

সমগ্র মানবজাতিকে একটি অভিন্ন পরিবারের অংশ হিসেবে আখ্যায়িত করে দীনেশ ত্রিবেদী দেবী দুর্গার চরণে বিশ্বশান্তি, সৌহার্দ্য এবং সবার সার্বিক মঙ্গলের জন্য কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা জানান। সমাজে অন্যায়, অবিচার ও সংকীর্ণতা দূর হয়ে যাতে পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ অটুট থাকে, সেই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

আয়োজকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর সঙ্গীত ও চণ্ডী বন্দনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। 

এ সময় আবেগঘন কণ্ঠে স্মৃতিচারণ করে হাইকমিশনার বলেন, শৈশব থেকেই কলকাতায় ভোরবেলা বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের সেই অবিস্মরণীয় ও গম্ভীর কণ্ঠের মহালয়া ও চণ্ডীপাঠ শুনে দিন শুরুর স্মৃতি আজও অমলিন। চমৎকার এ আয়োজন ও আগমনী সুরের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সবার জীবনে অনাবিল আনন্দ ও সুখ কামনা করেন।

ঠিকানা/এএস 

নিউজটি শেয়ার করুন


সর্বশেষ আপডেট

© 2026 All Rights Reserved by Thikana Group Of Media
Maintained by SolveEz